বরকত, সালাম, জব্বার, রফিক
বিস্মিল্লাহীর রাহমানির রাহীম।
আল্লাহ্ গাফুরুর রাহীম।
বরকতের বেদনটা প্রশ্ন আকাশটির মতই বহুকাল (বাবাছিল হাটি হাটি খা খা করে চলা গভীর কচ্চজাতির মতনই বীরভাবে যিনি চলছিল তিনিই বরকত।শেষব কাজে বহুবনের বহুকালের শে সনের পর এল
পাকহানাদাররে জুলুম।
ইন্তিয়ার সচেতনাতায় কছেক লক্ষ মতে দেহের পর্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের বটবৃক্ষের মতই জীবন্ত বরকত করে পেল তাহার অনন্ত মালুম, (sense)
চাবুকের সংখাতে আহত, নিহত বাঙ্গালী কত কালছিল সুভা সিরাজের মতন্
বরকত তাদেও ভুলেনি, তাদের উতিথ আনেকটা মসলিন্বে মতনই লুপ হতে চলছিল
বরকতই তিনি যিনি তাহা করেছিল যতন
যে জাতি নিজেদের অধিকার ঘুুচিয়ে বলতে জানত না যে মানুষের কথা,হরফ জীনশির্ন কুঠিরের মতই ছিল দুবর্ল বরতত তিনি,যিনি পান্তাভাতে দুষ্ঠ এক সুবলিষ্ট সবল টি,এসসির সুশিক্ষিত চঞ্চলদের ভাবে সে বলোন বলেছিল তেতলিয়া জেকনাফের বাতক দরীদ্র মায়ের ভাষা কথা
যে জানতো তাকে লুকিয়েছল ১৬ কোটি মানুষের জীবন কত বেদনা হাসিখুশির আশাভরা
বরকত সিজদারমত কারে নুইয়ে
লইলাহা ইল্লালার সুুরে সালামেরই পাশে বিদায় চিরচিদার
এবার সালাম Stick Racing দৌভের মতই পতাকা নিলহীন হুংকারিয়া ধরেছিল,বলেছিল মানিনা তোদের ভাষা সেই গোলচক্করের দৌড়ের কায়দায় তৃক্ষতার দৃষ্টিতে গতি পেল তার আরোসচ্ছতা
কে কার কথা শুনে ---
জালেম পাকহানাদার নির্বোধ চাষাদের বুকে মেরেদিল তীর
সালাম সেই দুষ্ঠনীতি বুজেছিল
করেছিল বাদাখত সেই কাজে নাপাক হানাদারদের
সালাম জবাব চেয়েছিল
তার মায়ের মুখের সুখের দু:খের কাহিনী বলেছিল
নিষ্টুর চক্কর বাজেরু কোনদিন কারো কথা শুনেনি
সেই মৌল্লাবাহিনীরা ও তাই করেছিল
শান্তির (ইসলামের) নামে নিজ ভাই নিজভাইকে করেছিল কতল
ধর্ষণ রাহাজানী থেকে হাজারো সাি না মুক্তি চেয়েছিল
আবকা, তোরারু এভাষার বিরুদ্ধে সালাম জিহাদ করেছিল
সেই নাপাক বাহিনা তা শুনোন, শুনেছিল শোসকের বদভাষা
তারা শুনেনি দয়ালনবী(সঃ) হিজরতের উপখ্যান
তারা জানতা ইসলমী কাথোবা কোহন কিনবা শুনেনি মজহুনের অতিবাদি
গুলিতেই তারা দিয়েছিল প্রতিদান
হামারা ভাষা উর্দুনেই বাংলা ভাষা এথেন চিৎকারে সালাম বরকতের খুজে বেরিয়ে পড়ে লাইলাহা ইল্লালাহু মোহাম্মাদুর রাসুল্লাহ- রক্ষাক্ষ পতাকা ছুড়ে দিল দুব্বারের হাতে
হায় রে বাংলা কতকিছু হারালে আমরা রজনীর মত হাজারু
-আবুু রায়হান চৌধুরী